কোন কাজ

 

------------তুই আমার------------
----------শেষ পর্ব-২৩--------
এই দিকে আমি আর তূর্য হাটছি তখনই দেখি নবীন সামনে দাড়িয়ে আছে... তাই জিজ্ঞেস করলাম আপনি...
একি আপনি এখানে এত রাতে...??
নবীন : রাতে ছটফট করছিলাম মায়াপরীর জন্য কিছুতেই ঘুম আসছিল না। কিন্তু সেটা সম্ভব না তাই নির্জন রাস্তায় হাটছিলাম আর তখনই মায়াপরীদের দেখতে পেলাম। কি সুন্দর লাগছে এদের আর আমি কিনা এদের আলাদা করতে চাইছি...?? ছি কিভাবে পারলাম এসব ভাবতে আর মায়াপরী এখন অন্যকারো.... তূর্য ওকে কবুলের জোরে আপন করে নিয়েছে। আল্লাহ্ ওদের এক করে দিয়েছে। তূর্যর বুকের বা পাজরের হার থেকে মায়াপরীকে তৈরি করেছে আল্লাহ্। এইখানে কে আমি এদের আলাদা করার...?? আচ্ছা এমন তো কোথাও লিখা নেই যে সব ভালোবাসাকেই পূর্ণতা পাবে..?? কিছু কিছু ভালোবাসায় অপূর্ণতায় ও কিন্তু বড্ড সুখের। আমি না দূর থেকেই আজীবন ভালোবাসে যাব আমার মায়াপরীকে.......!!! কখনোই ভুলতে পারবো না। দূর থেকে ভালোবাসতে তো মানা নেই। ভালো থাকুক ওরা তখনই তূর্য বলে উঠলো....
তূর্য : কিরে কথা বলছিস না কেনন...??? বোবা হয়ে গেলি নাকি..!!!
নবীন : না বল শুনতে পারছি... আসলে ঘুম আসছিল না তাই একটু একা একা হাটতে বের হয়েছি.... আর তোদের সাথে দেখা হয়ে গেলল। কিন্তু তোরা এখানে..??? এতরাতে...!!!
তূর্য : আর বলিস না এইযে আমার অর্ধাঙ্গিনী উনার এতরাতে আইসক্রিম খেতে ইচ্ছে করছে নাকি তাই এসেছি।
নবীন : ওহহহ আচ্ছা তোরা থাক আমি যাই। এই বলেই চলে এলাম কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে..... কিছুদিন পরে আমি একটা কাজে শপিংমলে গিয়েছিলাম তখনই একটা মেয়ে আমাকে এসে হাটুগেরে প্রপোজ করছে.... আরে এইটা ঐ মেয়েটা না...
ফাইজা : দেখো আমি এত নেকামি করতে পারি না তাই সেদিনই বলেছিলাম বিয়ে যদি কাউকে করতেই হয় তবে তোমাকেই করবো। প্লিজ আমাকে ফিরিয়ে দিও না....
নবীন : এটা তোমার ভালোবাসা না ভালোলাগা। যেটা কিছুদিন পরেই কেটে যাবে...??? আর যদি ভালোবাস তবে এখুনি আমাকে বিয়ে করতে হবে রাজি....??
ফাইজা : আমি ভাবতেই পারি নি তুমি এভাবে বলবে আমার কোন আপওি নেই বিয়ে করাতে......
নবীন : ওকে চলো এখুনি বিয়ে করবো... এইবলেই নিয়ে ম্যারিজ রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়েই বিয়ে করে ফেললাম। তখনই ফাইজা কাউকে কল দিলল
ফাইজা : দাভাই আমি আমার ক্রাশবয় কে বিয়েকরে ফেলেছি তুই প্লিজ সবাইকে মেনেজ করে নিস রাখছি বাই...
রাতে ঘরে ফাইজা নবীনের জন্য ওয়েট করছে তখনই ঘরে নবীন এসে বললো...
---- দেখো ফাইজা আমার একটু সময়ের প্রয়োজন। আমিএকজনকে ভালোবাসতাম ইভেন এখনো বাসি আর হয়তো বাসবো। কিন্তু সে অন্য কারো স্এী পূএবধূ। আমি যেমন চাইলেই এই সত্যি টা অস্বীকার করতে পারি না তেমনি তোমাকে পচ্ছন্দ করেই বিয়ে করেছি এটা অস্বীকার করছি না। আচছা ভালোবাসা তো বিয়ের পরেও হতে পারে বলো..??? তোমাকে না হয় নতুন করে ভালোবাসবো নতুন করে পথ চলবো তোমার সাথে....??? তুমি আমার বৃদ্ধ বয়সের সঙ্গী হবে..???
ফাইজা : আমি সত্যি অনেক ভাগবতী আপনার মতো স্বামী পেয়ে আমি আপনার নতুন করে পথ চলার সঙ্গী হতে চাই...
এইদিকে হঠাৎ করেই তূর্য আমাকে জোর করে শাড়ি পড়িয়ে দিলো আর ছাদে নিয়ে গিয়েছে আমি ভাবছি এসব করার কি মানে...!!!
তখনই উনি আমার সামনে হাটু গেরে বলছে....
তূর্য : মায়াবতী আমি তোমাকে বড্ড বেশি ভালোবাসি গো তোমাকে ছাড়া আমার দম বন্ধ হয়ে আসে। আমি তোমাকে আপন করে নিতে চাই মায়াবতী। যেখানে আমাদের অস্তিত্ব মিলিয়ে যাবে একসঙ্গে। প্লিজ মায়াবতী আমাকে আর ফিরিয়ে দিয়ো না খুব করে তোমাকে চাই... I LOVE YOU MAYABOTI...
এবার আমিও আর চুপ করে থাকতে পারলাম না আমি তো আগেই ভালোবাসে ফেলেছিলাম..
কিন্তু অভিমান টা বেশি হয়ে গিয়েছিল তাই আমিও এইবার আমার মনের কথা বলে দিলাম উনার সাথে তালল মিলিয়ে....
I LOVE YOU 2 TURJO....
তূর্য : আমি নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারছি না হঠাৎ করেই ও আমাকে নিজ থেকে জড়িয়ে ধরলো আমি আর দেড়ি না করে কোলে নিয়ে হাটা ধরলাম রুমে আজকে আবার আমাদের মিলন হয়েছে তবে এইবার কোনো জোড়াজুড়ি নেই আজ দুটো আত্মার মিলন হয়েছে...
৫বছর পর....
মাম্মাম ও মাম্মাম.... (তারিন তূর্য আর মেহেকের মেয়ে)
্যা মা বলো.....
বাবাই আত্তে না কেনু একনো বাবাই তি তানে আমি ওয়েত করতি...??
তখনই একটা ছেলে এসে বলো মিষ্টি পাখি এসো আমার সাথে খেলবে... ( রিয়ান... জাহিদ ও নিশুর ছেলে.. তারিনের একবছরের বড় ওদেরও বিয়ে হয়েছে
)
ওতে তলো...
আরে নিশুপাখি যে কখন এলে তোমরা...
নিশু : এইতো এখুনি কেমন আছেন.. ভাইয়া...??
আংকেল আংকেল তোমার মেয়েকে আমি বিয়ে করবো..
নবীন :রিয়ানের কথা শুনে আমরা সবাই অবাক... এতটুকু ছেলে বলে কি...?? বাবা এত ছোট বয়সে বিয়ে করবে...!!!
বাবাই আমি ওতে বিয়ে তলবো না আমতে তততেট কেতে দেইনি পতা তেলে কে বিয়ে কলবো না...
রিয়ান : তোমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করবো হু...
আমি আর তূর্য মুখ চাওয়াচায়ি করছি একি ঘটনার পূনারবৃতি না হয়...
-----------(((সমাপ্তি)))-----------

Comments